Featured Post

I SAID NO TO QUANTUM METHOD

পূর্বে পোস্ট আকারে প্রকাশিত। কারও সাথে ঝগড়া করার জন্য এটা দেইনি। নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করলাম। কেউ মানতে না পারলে আমার কিছু করার নেই।  আ...

Saturday, October 17, 2015

আরাফাত ভাইয়ের ঈদ!

কুরবানীর ঈদটা না গেলে আসলে আরাফাত ভাইয়ের ধৈর্য্য সম্পর্কে ভালভাবে ধারনা পাওয়া যেত না। কুরবানী যেহেতু কিনতে হবে সেহেতু কুরবানীর ঈদের প্রস্তুতি ঈদের বেশকিছুদিন আগে থেকেই শুরু হয়। টাকা জোগাড় করে রাখতে হয় দ্বিগুন পরিমান। যদি কোন অঘটন ঘটে তাহলে যেন বিপদে পড়তে না হয়। রোজার ঈদের মত জামা-কাপড় কেনার হ্যাপা না থাকলেও অন্যান্য হ্যাপাতো আছেই।
হাটে যাও, হাটে যাও... হো
ছুড়ি ধারাও, বটি ধারাও... ছো
চাপাতি কিনো, কোবানি কিনো... কো
.....................................
.....................................
এই আরাফাত ভাই, আপনার লিস্টি এত লম্বা কেন?

নিজে থেকে গরু কিনতে না পারলে আরাফাত ভাইয়ের শান্তি লাগে না। আরে কোরবানীর ঈদের মজাটাইতো গরু-খাসী কেনা। এখানে যদি দূরে দূরে থাকি তাহলে আর কিভাবে হবে? বিপুল বিক্রমে আরাফাত ভাই চললেন কুরবানীর হাটে। সাথে শরীক আছে আরো কয়েকজন।
আগের রাতে তুমুল বর্ষণের কারণে হাটে থকথকে কাঁদা। কাঁদা পানির সাথে গরুর বর্জ্য মিশে চারদিকে পুরো মঁ মঁ করেছে সুগন্ধে।
আরাফাত ভাই বুদ্ধি করে বার্মিজ স্যান্ডেল পড়ে এসেছেন। কাদাপানি গেলে বার্মিজের উপর দিয়ে যাক। চামড়ার ক্ষতি করে লাভ কি? চারপাশে গরু উঠেছে ভালই। দামও মোটামুটি। এখানে থেকেই কিনে ফিরবেন নাকি আরো দুটো হাট ঘুড়বেন সেই আলোচনা যখন চলছিল ঠিক তখনি "ধর ধর" রবে শোরগোল শুরু হয়ে গেল। পিছনে ফিরে তাকাতেই আরাফাত ভাই দেখলেন একদল লোক তার দিকেই ছুটে আসছে। তবে লোকগুলো নিজের ইচ্ছায় আসছে না। একটা দুই শিংওয়ালা হাতি ফোঁসফোঁস করতে করতে তাদের টেনে নিয়ে আসছে। কাদার মধে ক্ষুর দেবে যাবার থপ থপ শব্দ আর গরম ফোঁস ফোঁসের শব্দে আরাফাত ভাই জায়গায় জমে গেলেন। আগেই বলেছি আরাফাত ভাইয়ের মাথা বিপদে একটু ধীরে কাজ করে। হাতিটার শিং যখন আরাফাত ভাইয়ের হালকা গজিয়ে উঠা ভূড়ি থেকে একফুট দূরে তখন লোকজন টেনে হাতির গতিরোধ করতে সমর্থ হল। আর আরাফাত ভাইও যেন দেহে প্রাণ ফিরে পেলেন। হুড়মুড় করে ছুটতে যেয়েই উনার বার্মিজ স্যান্ডেলখানা ফুৎ করে পিছলে গেল আর আরাফাত ভাই ধরাম করে ধরাশয়ী হলেন। গরুর তামাশায় লোকজন যেমন থমকে গিয়েছিল, আরাফাত ভাইয়ের তামাশায় তারা হো হো করে হেসে উঠল। আরাফাত ভাইয়ের বেগতিক অবস্থা দেখে সেদিনের মত গরুক্রয় কর্মসূচি স্থগিত করা হল।
বাসায় আসার পর সুমিভাবি আরাফাত ভাইকে ১৪ বার গোসল করালেন। তারপরও নাকি আরাফাত ভাইয়ের গা থেকে দুর্গন্ধ যাচ্ছে না। ইতোমধ্যে আরাফাত ভাইয়ের চোখ লাল হয়ে এসেছে দেখে হয়ত সুমি ভাবির মনে একটু দয়া হল। আরাফাত ভাই সর্বশেষ গোসলখানা দিলেন আতর আর বডি স্প্রে দিয়ে। তারপরও রাতের বেলা যখন ঘুমাতে গেলে তখন সুমিভাবি একটা বালিশ তার হাতে ধরিয়ে দিয়ে বলে দিলেন,
"আজকে আপনি সোফায় ঘুমান। আমি এই অবস্থায় আপনার সাথে ঘুমাতে পারব না।"
মনের দুঃখে আরাফাত ভাই.........
ঈদের দিন কুরবানী করার সময় আরাফাত ভাই গরুর মাথা ধরলেন। যিনি জবাই করবেন তিনি বার বার বলে দিলেন কোন অবস্থাতেই মাথা ছাড়া যাবে না। জবাই করার সময় যে গলার কাছে রক্তনালী চেপে ধরেছিল তার হাত ছুটে গেল হুড়োহুড়িতে। আর যায় কোথায় ফিনকি দিয়ে রক্ত এসে আরাফাত ভাই পুরো গোসল। চমকে উঠে আরাফাত ভাই মাথা ছেড়ে দিলেন। এরপর যেন কেয়ামত শুরু হয়ে গেল। গরুর মাথার বাড়িতে দুইজন ছিটকে গেল। লাফ দিয়ে গরু উঠে দিল দৌড়। বাচ্চা পোলাপান যারা কাছে দাঁড়িয়ে ছিল তারা দিল দৌড়। একজনতো ধাক্কা খেয়ে ড্রেনেই পড়ে গেল। সারা গায়ে রক্ত মেখে আরাফাত ভাই স্ট্যাচু হয়ে গেলেন!
পাচ ঘন্টা পর আরাফাত ভাই যখন শেষবারের মত গরুর বন্টণকৃত অংশ নিয়ে ঘরে আসলেন তখন সুমি ভাবি দরজা খুলেই নাঁকমুখ কুঁচকে উঠে তাড়াতাড়ি নাকে কাপড় চাপা দিলেন।
"এই এমন বিদঘুটে গন্ধ আসে কোথা থেকে? দেখিতো এর মধ্যে কি?"
"কি আবার গরুর ভুড়ি...!"
"এই পচা ভুড়ি কে খাবে? ওমাগো, গন্ধেইতো মরে যাচ্ছি। আমি এইগুলো করতে পারব না। তাড়াতাড়ি ফেলে দিয়ে আসেন এইগুলা।"
"কি বলে! ভুড়ি ফেলব কেন? ভুড়ি খেতে কত মজা! গোশতের চেয়ে ভুড়ির মজাইতো বেশি!"
"আপনি ভুড়ি ফেলে দিয়ে আসবেন কিনা বলেন!"
মনের দুঃখে আরাফাত ভাই.........
রাতে ঘুমুতে যাবার সময় সুমি ভাবিকে ডেকে আরাফাত ভাই কাধটা একটু মালিশ করে দিতে বললেন। কোপাকুপি, টানাহেচড়ায় কাঁধ ব্যথা করছে। বলেই আরাফাত ভাই উপুড় হয়ে শুয়ে পড়লেন। সুমিভাবি কি একটা মলম বের করে ভালভাবে দলাই মলাই করে দিলেন। একটু যখন আরাম বোধ হল তখন আরাফাত ভাই ঘুরে শুয়ে একটানে সুমিভাবিকে বুকের উপর নিয়ে আসলেন।
চরম লুমান্টিক অবস্থায়ও সুমিভাবির নাকটা কেন জানি কুঁচকে উঠল। ছিটকে দূরে সরে যেয়ে বললেন,
"এই আপনি গোসল করেন নাই?"
"কি বল? গোসল করব না কেন?"
"তাহলে আপনার গা থেকে ভুড়ির গন্ধ আসছে কেন?"
"ভুড়ির গন্ধ আসছে? কোথায়? নাতো... কোন গন্ধইতো নাই..."
"আপনিতো পাবেনই না। ভুড়ি ফেলে দিয়ে আসতে বলছি বলে কি কাঁচাই খেয়েছেন নাকি? এই নিন বালিশ, সোফায় গিয়ে ঘুমান..."
"ঈদের দিন এইগুলো কি শুরু করলে তুমি?"
"আপনি যাবেন কিনা বলেন!"
এবং আবারো মনের দুঃখে আরাফাত ভাই........

‎কবিতা‬??!! - ১৬


সত্যি বলছি,
<> <> <> গভীর রাতের ক্লান্ত চোখে ঘুম ছিল না, 
<> <> <> মুঠোফোনে ফিসফাস, সময়ের জ্ঞান ছিল না, 
<> <> <> মেসেজের আদরে আদরে কুটনামি-ভান ছিল না,
<> <> <> মেসেঞ্জারের টুনটুনে আবেগের কম ছিল না,
<> <> <> তবুও বলছো তুমি, তোমার আমার প্রেম ছিল না!

চিঠির প্রতি লাইনে লাইনে শব্দগুলো মিথ্যে ছিল না
আড্ডার চোখাচোখি কাম ছিল না, খুনসুটিতে পাপ ছিল না,
চোখের জলে বৃষ্টি ছিল, ঝড় ছিল না।

সত্যি বলছি,
<> <> <> তোমার জন্য ভালবাসায় এতটুকু ভুল ছিল না।



Dedicated to Joy Shahriar (Singer of সত্যি বলছি)

চুল...

বয়স একেবারে কম হয়নি, আবার খুব বেশীও বলা যায় না। সে যাই হোক এইক্ষুদ্র জীবনে বহু নাপিতের কাছে বহুবার চুল কাটিয়েছি। তবে জীবনে যে এখনো অনেক কিছু দেখার বাকি তা আবারো প্রমানিত হল।
অন্য সবার মত এই নাপিতকেও বললাম, আমাও চুলের কোন ছাট নেই। শুধু ছোট করে দেন সবদিকে সমান করে। বলে মোবাইল বের করে ফেসবুকে ঢুকলাম। অন্যসবার মত এই ব্যাটাও পিছন থেকেই চুল কাটা শুরু করল। আমি মোবাইলে ডুব দিলাম।
কতক্ষন পরে আয়নার দিকে তাকিয়ে আমি পুরো হা! ব্যাটা দেখি সত্যই চুল ছোট করে ফেলেছে! ঐতো মাথার তালু দেখা যাচ্ছে!
ভাবলাম চুপ থাকি। দেখিনা কি করে!
অন্য সবার কাছে যেখানে আমাকে বার বার বলতে হয়েছে, আরেকটু কাটেন, সামনের দিকে আরো ছোট করেন; সেখানে এবার আমাকে বলতে হল, ভাই থামেন, আর ছোট করতে হবে না!
কাটা শেষ করার পর আমি উনাকে বললাম যে, ভাই, আপনার মত সাহসী লোক আর একটাও দেখি নাই। অন্যদের ছোট করতে বললে শুধু কাচি চিরণীর ঘষার শব্দ শুনি কিন্তু চুল আর ছোট হয় না। নাম কি ভাই আপনার?
"মোশাররফ"
বলেন কি ভাই! এই প্রথম মুসলমান কাউকে এদেশে চুল কাটতে দেখলাম! আবার যদি এদিকে এসে চুল কাটাই তবে আপনার এখানেই আসব ইনশাআল্লাহ!
মোশাররফ ভাই খুশি, আমিও খুশি!
বি.দ্র. চুল ছোট থাকার অনেক সুবিধার মধ্যে দুইটি:
১. ভেজা চুল তাড়াতাড়ি শুকায়। ফলে খুশকির সমস্যা কম হয়।
২. চুলে তেল, শ্যাম্পু, কন্ডিশনার অল্প দিলেই চলে। ফলে ওরা দীর্ঘজীবী হয়! : D

চুলকায় তাই, চুলকে যাই!


এবার আমাদের লাল গরুটার মত কালার অন্য কোন গরুর চোখে পড়ে নি। ঘাড়ের অংশ কালো আর সারা গা লাল। চামড়ায় একটা ঘষা খাবারও দাগ নেই যে সার্ফ এক্সেল দিয়ে ধুয়ে দিব। দুঃখের বিষয় আমি হাটে যাবার আগেই গরু কেনার পর্ব শেষ হয়ে গিয়েছিল। পরে আমার বন্ধুর কাছে শুনলাম যার কাছে থেকে গরুটা কেনা হয়েছে তার নাম গোপাল। বিক্রেতা গোপাল হলেও গরুর মালিক গোপাল নয়। আরেক হিন্দু মহিলার গরু গোপালকে দিয়েছে বিক্রির জন্য। ঐ হিন্দু মহিলা ও গোপাল, দু'জনেই জানে এখন যারা গরুটা কিনবে তারা কুরবানী করে দিবে। তারপরও গরু বিক্রি করেছে। পয়েন্ট টু বি নোটেড ইউর অনার...
আমার বন্ধুরা বিক্রির পর গোপালের চোখে পানি দেখেছে। বিক্রির জন্য আনা গরু বিক্রি করে যদি গোপাল কাঁদতে পারে তবে যে মহিলা গরু লালন-পালন করেছে তার অবস্থা কি হয়েছে সেটা সহজেই অনুমেয়। কুরবানী একদিন আগে কেনা হোক বা কয়েকদিন আগে কেনা হোক। বোবা পশুর উপর একটা মায়া পড়ে যায়। যারা পশুর সাথে থাকে তারা এই ব্যাপারটা অনুভব করবে। যারা থাকেই না তাদের কেমন লাগে জানি না।
তারপরও আমরা মুসলিমরা কুরবানী দেই। উৎসাহ, আনন্দ-উদ্দীপনা নিয়েই দেই। কারন মায়ার চেয়ে আল্লাহর হুকুম বড়। যত মায়াই লাগুক কুরবানী দিতে হবে। পরিবারের ছোট থেকে বড় সব সদস্যরাই প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কুরবানীর প্রক্রিয়ার সাথে যুক্ত হয়ে যায়। আগেরকার নবীদের সময় কুরবানীর পশুর গোশত খাওয়া যেত না। শেষ নবী মুহাম্মদ (সাঃ) এর শরীয়তে খাওয়া যায়। অবশ্য আগের বিধান প্রযোজ্য থাকলে কতজন কুরবাণী দিত সেই প্রসঙ্গে নাই বা গেলাম।
হিন্দু সম্প্রদায় আগে চার ভাগে বিভক্ত থাকলেও বর্তমানে দু'ভাগে বিভক্ত। একটি হল দাদাবাবু সম্প্রদায় আর একটি হল উপরোক্ত গোপাল ও ঐ হিন্দু মহিলা যে সম্প্রদায়ের ঐ সম্প্রদায়ের। দাদাবাবু সম্প্রদায়ের কাজ দুইটা। দাদাগিরি করা আর চুলকানীর ভাব হলেই চুলকে দেয়া।
ক্রিকেটার মুসফিকুর রহীম আজকে একটা ছবি দিয়েছে। ছবিতে দেখা যাচ্ছে মুশফিক গরু কুরবানী দিচ্ছে। মানে নিজেই জবাই দিচ্ছে, অন্যরা গরু ধরে আছে। আমার কাছে এটা সাহসিকতার কাজ। প্রচুর মানুষ আছে যারা শুধু মাত্র সাহসের অভাবে ছুড়ি হাতে নিতে পারে না। জবাই করতে অভিজ্ঞ লোক খোজেন। এখানে মুশফিক যদি সত্যিই নিজে কুরবানী করে থাকেন তবে একজন মুসলিম হিসেবে তাকে আমি অন্তত বাহ্‌বা দিব।
মুশফিকের ছবিটা দেখার পর দাদাবাবুদের চুলকানী শুরু হয়েছে। ভারত গরু রফতানী বন্ধ করার পর যে দাদাবাবুরা আনন্দে বগল বাজাচ্ছিল তারাই যখন দেখল যে লাভ তেমন কিছুই হয়নি তখন নিন্মাঙ্গের কাপড় কাধে ফেলে জোড়সে নিতম্ব চুলকাতে শুরু করে দিলেন। এই দেশীয় ছুপা সাগরেদরাও মাঝে মাঝে তাদের সাথে গলা মিলিয়ে হুক্কা হুয়া ডেকে দাদাবাবুদের চুলকানী খাউজানীতে পরিণত করে দিল।
পরিশেষে, দাদাবাবুদের ছোট্ট একটা অনুরোধ। দাদাবাবুরা আমারদের নিয়ে না ভেবে ঐ গোপাল এবং গোপালদের সম্প্রদায় নিয়ে যদি ভাবেন তবে আপনাদের ধুতিও কাধে তুলতে হবে না, গোপালদেরও চোখের পানি ফেলতে হবে না।
যত্তসব!

আচরণ সমাচার!

মানুষ সম্পর্কে চট করে কোন সিদ্ধান্তে আসা ঠিক না। এই ভাল মনে হয়, আবার কয়েকদিন পর কেমন জানি। সেদিন ব্যাংকে গেলাম। টাকা পাঠাবো বাড়িতে। নির্ধারিত পরিমাণের বেশি হওয়াতে অনলাইন চার্জ দিতে হবে। মানিব্যাগ খুলে দেখি খুচরা যা আছে তাতে হবে না। ১৪ টাকা কম। আর ব্যাংকের বুথ হওয়াতে সেখানে খুচরা টাকাও পাওয়া যাবে না। আমার অবস্থা দেখে পাশ থেকে এক কলিগ এগিয়ে এলেন। ধরাযাক, তার নাম রোহিত শর্মা। ভদ্রলোক নিজে থেকেই আমাকে সাহায্য করতে চাইলেন। খুচরা ১৪ টাকা দিলেন। আমি ভাবলাম, বড় ভাল লোক তো! দু-তিনদিন পর বাজারে যখন দেখা হল তখন আমি তাকে টাকাটা ফেরত দিলাম। তখন কথায় কথায় শর্মা সাহেব জানালে ১৫ বছর আগে মেস চালানোর সময় একজনের কাছে টাকা পেতেন, সেই টাকা এখনো পান নি। আমি আর কি বলব? হ্যা এর সাথে হ্যা মিলিয়ে গেলাম।
কোম্পানির নিযুক্ত কন্সালটেন্টের একটা গ্রুপ এসেছে আমাদের ইনকাম ট্যাক্সের কাগজপত্র নিয়ে যেতে। আমাদের তরফ থেকে তারাই জমা দিয়ে দেবে। সকাল বেলা গেলাম তাদের ওখানে। তখনো তারা অফিসে এসে পৌছায় নি। এরমধ্যে ব্যাগ খুলে কাগজ ঘাটতে গিয়ে দেখি গুরুত্বপূর্ণ কাগজটাই ফেলে এসেছি। ব্যাগটা চেয়ারে রেখে দিলাম অনেকটা সিরিয়াল দেয়ার মত। তারপর যখন কাগজ আনতে বের হয়েছি তখন দেখি শর্মা সাহেব যাচ্ছেন। কাগজ নিয়ে ফিরে আসার সময়ই দেখি গ্রুপের লোকজন বহনকারী বাস আসছে। আমি পৌছাতে পৌছাতে তাদেরও নামা শেষ হল বাস থেকে। রুমে পৌছে আমি অবাক! আমার ব্যাগ পাশের চেয়ারে সরিয়ে দিয়ে শর্মা সাহেব বসে পড়েছেন। ভাবলাম সমস্যা নেই, পাশের টেবিলেই কাজ সারি। এরই মধ্যে শর্মা সাহেব যে টেবিল দখল করেছেন সেই টেবিলের লোকটা বলল এই টেবিলে কাজ শুরু হতে একটু দেরি হবে। আপনি পাশের টেবিলে যান। শুনে শর্মা সাহেব তড়িঘড়ি করে চেয়ার থেকে উঠলেন, আমিও চেয়ারের পাশে পৌছে ব্যাগে হাত দিয়েছি তুলে বসার জন্য। চট করে শর্মা সাহেব বলে উঠলেন, ব্যাগ ঐ চেয়ারে ছিল।
আমার গেল মেজাজ গরম হয়ে। রাগত স্বরেই বলে উঠলাম, হ্যা, পাশের চেয়ারেই ছিল।
তারপর অন্য টেবিল যেটা খালি ছিল সেটাতে বসলাম। ইনকাম ট্যাক্সের কাগজপত্র জমা দেয়া ঝামেলার কাজ। তারউপর যদি সিরিয়াল ধরতে হয় তাহলে এক ঘন্টা এখানেই শেষ। আর কয়েকজনের পিছনে পড়লে তো কথাই নেই। কখন খালি হবে, কখন বসা যাবে। আমি অবাক হয়েছি শর্মা সাহেবের ভাবভঙ্গি দেখে। সেদিন আরেকজনের দোষারোপ করে আজকে কি কাজটা করল!
** বাংলাদেশ এ দলের সাথে ভারত এ দলের সিরিজ চলছে। প্রথমটাতে বাংলাদেশ হারার পর ফেসবুক মিডিয়া যেগুলো চোখে পড়েছে সেগুলোর কোনটাতেই বাংলাদেশের হারের খবর সরাসরি লিখেনি। (অন্তত আমার চোখে পড়েনি) শুধু কার কি ব্যাক্তিগত অর্জন ছিল সেটা লিখেছে। বাংলাদেশ হেরেছে নাকি জিতেছে সেটা বুঝতে পারছিলাম না। তবে ভাবভঙ্গি দেখে বুঝতে পারছিলাম যে, বাংলাদেশ বোধহয় জিততে পারে নি। নাহলে রঙচঙা কতধরনের শিরোনাম দেখতে হত। যেমনটা হয়েছে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে জেতার পর।
*** অনেকসময় আমরা কোন পোস্ট কপি করার পর কার্টেসী দেই সংগৃহীত। পোস্টের আসল মালিক কে জানার পরও সংগৃহীত দেবার কারনটা আমার বুঝে আসে না। এমনতো না আমি দুনিয়া ঘাটাঘাটি করে পোস্টটা সংগ্রহ করেছি। কয়েক কিলোবাইট ডাটা আর কয়েক সেকেন্ড সময় ছাড়াতো আর কিছুই আমার ব্যয় হয় নি। তবে কেন এই সংকীর্ণতা?