আমি পাইছিলাম ৪.৮৮। দাত দেখাতে দেখাতে স্কুল থেকে বাসায় আসছিলাম। বইনে পাইছে ৪.৯১। তার মন খারাপ।
১৩ বছর আগের শিক্ষাব্যবস্থা আর বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থার মধ্যে ব্যপক পার্থক্য তৈরি হয়েছে। ১৩ বছর আগের ৪.৮৮ যে বর্তমানের ৪.৯১ থেকে ভাল সেটা পিচ্চি হলেও বইনে আমার ভালই বুঝে হয়ত। আমার মনে পড়ে না স্কুল পরীক্ষায় আমার পিছনে ছিল আর বোর্ড পরীক্ষায় আমার থেকে ভাল করেছে এমন কেউ আছে। ব্যতিক্রম থাকতেই পারে। তবে ব্যতিক্রম যখন সীমা অতিক্রম করে তখন প্রশ্ন চলে আসে।
১. স্কুল টিচাররা কিভাবে খাতা দেখেন যে বোর্ড পরীক্ষায় ফলাফল পরিবর্তন হয়ে যায়?
২. বোর্ড পরীক্ষকগন কিভাবে খাতা দেখেন যে, স্কুলের রেজাল্টের সাথে মিলে না?
৩. সারাজীবন ছিল পিছনে, পরীক্ষার আগে কি এমন চেরাগ হাতে আসে যে বোর্ড পরীক্ষায় আগে চলে আসে?
বড় বোনের এইচ এস সি পরীক্ষার সময় আমি মোটামুটি বড় হইছি। তখন কেন্দ্র পরিবর্তন হত না। যার যার কলেজেই পরীক্ষা হত। কলেজের পিছনে যেয়ে দেখি সানশেডের উপর দাঁড়িয়ে বড় ভাইরা জানালা দিয়ে ধুমছে নকল সাপ্লাই দিচ্ছে। যথারীতি রেজাল্টের পর বড় বইনের মন খারাপ।কেন? কি হইছে? ফেল্টুস ছাত্রীরা নকলের জোড়ে ৫-৬ টা লেটার সহ ফার্স্ট ডিভিশন! মন খারাপ হওয়াটাই স্বাভাবিক। তো? এতবছর পর যদি আমি তাকে জিজ্ঞেস করি সে কেমন আছে তাহলে কি উত্তর পাওয়া যেতে পারে? খবর নিলে হয়ত দেখা যাবে, তার চেয়ে ভাল রেজাল্ট করা মানুষেরা তার চেয়ে খারাপ অবস্থায় আছে।