Featured Post

I SAID NO TO QUANTUM METHOD

পূর্বে পোস্ট আকারে প্রকাশিত। কারও সাথে ঝগড়া করার জন্য এটা দেইনি। নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করলাম। কেউ মানতে না পারলে আমার কিছু করার নেই।  আ...

Sunday, April 14, 2019

ঘোষণা

বিসমিল্লাহির রহমানির রহীম

আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি এখন থেকে আমি এবং আমার ফ্যামিলি কোন ধরনের পাব্লিক ফাংশনে অংশগ্রহণ করব না। যেমন, যেকোন ধরনের দাওয়াত, পার্টি, পিকনিক ইত্যাদি।


কারণঃ

এক। এসবে পর্দার কোন ব্যবস্থা থাকে না। মেয়েদের পর্দা তো থাকেই না, ছেলেরা যারা নজর হেফাজত করতে চায় তারাও বিব্রত হয়।

দুই। এসব অনুষ্ঠানে প্রচুর অপচয় হয়।

তিন। নিজেদের মধ্যে মন কষাকষি হয়। জান-প্রান ঢেলে দিয়েও মন রক্ষা করা যায় না। কি দরকার ভাই আপনার সাথে আমার মন কষাকষির? দুই দিনের জন্য দুনিয়াতে আছি, শান্তি চাই।

চার। এসব অনুষ্ঠান বর্তমানে লোক দেখানোর অনুষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। আর কিছু লোভী ব্যক্তি লোভের বশবর্তী হয়েও নানা ধরনের ফাংশন করে থাকে।

পাচ। অনেক ক্ষেত্রে এই ধরনের অনুষ্ঠানের খাবার সর্ব নিকৃষ্ট খাবার । (বোখারী, হামিদিয়া লাইব্রেরী, হাদিস-২০৪২)

আমি চাই না নিজেকে এবং আমার ফ্যামিলির কেউ এই ধরনের অনৈসলামিক কাজকর্মে কোণ ধরনের অংশগ্রহণ থাকুক। কাজেই আমাকে/আমার ফ্যামিলিকে বাদ দিয়ে আপনারা যা করার করবেন। অনুরোধ করে বলছি, বিব্রত করবেন না।

Tarabi Under Microscope

[ ডিসক্লেইমার 
  • এই পোস্ট মুলত অন্য একটি পোস্টের কমেন্ট এবং পালটা কমেন্টের সংকলন।
  • পোস্টের শব্দ সংখ্যা প্রায় ৮ হাজার। প্রথমে বাকা হরফে মূল পোস্ট তুলে দেয়া হল। এরপর পর্যায়ক্রমে আমার কমেন্ট ও কমেন্টের রিপ্লাই তুলে দেয়া হল। 
  • সময় সময় এই নোট আপডেট করা হবে ইন শা আল্লাহ। ]
তথ্যভিত্তিক ও গ্রহণযোগ্য সমালোচনাই কাম্য🌹

প্রসঙ্গঃ তারাবীহর রাক‘আতের সংখ্যা

👍 সহীহ ও নির্ভরযোগ্য হাদীসের মাধ্যমে রসূলুল্লাহ (সাঃ) থেকে তিন ধরনের সংখ্যা বর্ণনা করা হয়েছেঃ

(১) ১১ রাক‘আতঃ আয়িশাহ (রাযি.) থেকে বিভিন্ন সনদে ও ভাষা-ভঙ্গিতে বর্ণিত হয়েছে যে, নাবী (সাঃ) রাত্রিকালে ইশার পরের দু’রাক‘আত ও ফাজরের পূর্বের দু’রাক‘আত সুন্নাত বাদে সর্বমোট এগার রাক‘আত সলাত আদায় করতেন। এক বর্ণনায় এসেছে রসূলুল্লাহ (সাঃ) রমাযান ও অন্যান্য মাসেও রাত্রে ১১ রাক‘আতের বেশী নফল সলাত আদায় করতেন না। (বুখারী হাদীস নং- ১১৪৭, ১১৩৯, ৯৯৪, ২০১৩, মুসলিম- সলাতুল্লাইল ওয়াল বিত্র ৬/১৬,১৭,২৭)

(২) ১৩ রাক‘আতঃ ইবনু আববাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ রাত্রিকালে রসূলুল্লাহ (সাঃ) ১৩ রাক‘আত নফল সলাত আদায় করতেন। [বুখারী হাদীস নং ১১৩৮, তিরমিযী (তুহ্ফা সহ) ৪৪০] ইবনু আববাস (রাঃ)-এর হাদীসে ১১ রাক‘আতের চেয়ে দু’রাক‘আত বৃদ্ধি পাওয়া যায়। এ বর্ধিত ২ রাক‘আত এর ব্যাখ্যা বিভিন্নভাবে পাওয়া যায়। নাসাঈ গ্রন্থে ইবনু আববাসের বর্ণিত হাদীসে- ১৩ রাক‘আতের বর্ণনা এসেছে। ৮ রাক‘আত রাত্রের সলাত, তিন রাক‘আত বিত্র ও দু’রাক‘আত ফজরের পূর্বের সুন্নাত। (নাসাঈ ৩/২৩৭, ফাতহুল বারী ২/৫৬২) ফাজরের দু’রাক‘আত সুন্নাত ধরে আয়িশাহ (রাযি.)-ও ১৩ রাক‘আতের কথা বর্ণনা করেছেন। দেখুন বুখারী হাদীস নং ১১৪০, মুসলিম- সলাতুল লাইলি ওয়াল বিত্র ৬/১৭-১৮, ফাতহুল বারী ২/৫৬২, বুখারীতে আয়িশাহ (রাযি.)-এর কোন কোন বর্ণনায় ১১ ও দু’রাক‘আতকে পৃথক করে দেখানো হয়েছে; হাদীস নং ৯৯৪, ১১৪০। যে সমস্ত বর্ণনায় ১৩ রাক‘আতের বিস্তারিত বর্ণনা আসেনি, সে সমস্ত বর্ণনায় ফজরের ২ ক‘আত কিংবা ইশার ২ রাক‘আত সুন্নাত উদ্দেশ্য। (ফাতহুল বারী ২/৫৬২ পৃঃ) কোন কোন বর্ণনায় এসেছে যে, রসূলুল্লাহ (সাঃ) রাত্রের সলাত উদ্বোধন করতেন হালকা করে দু’রাক‘আত সলাত আদায়ের মাধ্যমে। হতে পারে এই ২ রাক‘আত নিয়ে ১৩ রাক‘আত। কিন্তু এই ২ রাক‘আত সলাত বিভিন্ন হাদীসের মাধ্যমে ইশার সুন্নাত বলেই প্রতীয়মান হয়। (আলবানী প্রণীত সলাতুত্ তারাবীহ ১৭ নং টীকা)

ফেসবুকের পাসওয়ার্ড

অনেকদিন ধরেই ভাবছিলাম ফেসবুক একাউন্টের সিকিউরিটি নিয়ে কিছু লিখব। সময়ের কারণে হয়ে উঠে না। আর এটা নিয়ে অনলাইনে অনেক লেখা-লেখি হয়েছে। অনেকেই অনেক কিছু জানেন। আজকের পাসওয়ার্ড পর্বে আপনার জ্ঞানটুকু নির্দ্বিধায় শেয়ার করুন।

ফেসবুক একাউন্ড নিরাপদ করার প্রথম ধাপ হল শক্তিশালী পাসওয়ার্ড নির্বাচন করা। কিভাবে নির্বাচন করবেন?
  •  পাসওয়ার্ড হবে কমপক্ষে ৮ অক্ষরের। এরচেয়ে বড় হলে আরও ভাল।
  •  আলফা-নিইমারিক অক্ষর থাকবে। অর্থাৎ বর্ণমালা থেকে বর্ণ থাকবে আর সাথে সংখ্যা থাকবে।
  •  ছোট হাতের এবং বড় হাতের অক্ষর থাকবে।
  •  কোন স্পেশাল ক্যারেক্টার যেমন @, #,. ইত্যাদি থাকবে।

এই বিষয়গুলো খেয়াল রাখলেও মোটামুটি শক্ত ধরনের পাসওয়ার্ড তৈরি হবে। উদাহরণ স্বরূপ, yahoo1995 এই পাসওয়ার্ডটির কথা ভাবা যাক। একে যদি উপরের শর্তগুলো মধ্যে ফেলি তাহলে এটি অনেকধরনের রূপ নিতে পারে। যেমনঃ

বিয়ে নিয়ে কিছু টিপস


বিয়ে সংক্রান্ত এই লেখাটি যারা বিয়ে করেন নি তাদের জন্য। ইন শা আল্লাহ সহায়ক হবে।

বিয়ের সময় অসংখ্য প্রশ্ন মাথায় ঘুড়পাক খায়। তন্মধ্যে সবচেয়ে বেশি ঝামেলার প্রশ্ন হল, "কেমন মেয়ে বিয়ে করব?" আমি বরং এই প্রশ্নটাকে একটু ঘুড়িয়ে করতে চাই, "কেমন মেয়ে আপনি বিয়ে করতে চান?"

স্বভাবতই সবাই একই রকম মেয়ে চায় না। কাজেই যে বিয়ে করবে সে কেমন মেয়ে চায় সেটা গুরুত্বপূর্ণ। তারপরও মেয়ে খোজার সময় যেসব দোষ-গুণ দেখা হয় সেগুলোর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ হল

  • রুপবতী কিনা
  • কতটুকু শিক্ষিত
  • ক্যারিয়ার সংক্রান্ত কোন চিন্তা / কি চিন্তা আছে
  • কতটুকু ধার্মিক
  • কুমারী কিনা
  • অতীত বলতে কিছু আছে কিনা
  • বয়স
  • পিতা-মাতার কি অবস্থা

আল্লাহর জন্য কাজ


তাবলীগওয়ালারা একটা কথা বলেন যে,তাবলীগের মেহনত আল্লাহ চালিয়ে নিবেন। চাই আমি, আপনি করি বা না করি।

প্রমান পেয়েছি সেদিন।

(ধরি) রাশেদ নামে আমার এক ক্লাসমেট ছিল। মাস্তানী করত। "মাইয়া কেস"-এ এক বড় ভাইরে আমার সামনেই মারধর করেছিল।


সেই রাশেদকে দিয়ে এখন আল্লাহ তার কাজ করাচ্ছেন। প্রিয় বান্দাদের দ্বারে দ্বারে পাঠাচ্ছেন একটি আহ্বান নিয়ে, "চল ভাই, মসজিদে চল" ।

আর আমার মত গোনাহগার নেক কাজ করতে পারব না- সেটাই স্বাভাবিক।

সকল নেক মেহনতের জন্য এই উদাহরণ প্রযোজ্য।আল্লাহ তায়ালা তার কাজ চালিয়ে নিবেন। গোনাহের কারনে আমি বাদ পড়ে যাব।

এটাই সত্য!